Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

বাংলাদেশ আনসার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগ ও সংরক্ষণের জন্য গঠিত একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত হয় । আনসার মুলত একটি আরবি শব্দ যার অর্থ যে ব্যক্তি সাহায্য করে এবং বিশেষ করে তাদের বুঝায় যারা মুহাম্মদের সাথে মক্কা থেকে মদীনা হিজরত করেন।

  •  

ইতিহাস

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় ভারতীয় গার্ডের কিছু সদস্য, যারা পরবর্তীতে পাকিস্তানের নাগরিক হয়, সেখান থেকে বের হয়ে আনসার বাহিনী গঠন করে।১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান আনসার আইন দ্বারা আনসার বাহিনী "পূর্ব পাকিস্তান আনসার" হিসাবে গঠিত এবং ১৯৪৮ সালের ২য় ফেব্রুয়ারী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে

 

স্বাধীনতা পূর্ব

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, আনসারের বেশির ভাগ সদস্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মুক্তিবাহিনীর গেরিলা সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ আইন দ্বারা আনসার হবাহিনী আবার পুনর্গঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউপর রহমান এর সরকার আনসার বাহিনীর ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে আনসার বাহিনীকে 'জনগণের প্রতিরক্ষা বাহিনী " হিসেবে মনোনীত করেন।

 

আনসার ভিডিপির বর্তমান কার্যক্রম

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর মহাপরিচালক, মেজর জেনারেল মো. নাজিম উদ্দীন, পিএসসি। সরকারেরসার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভাবনীয়ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন এ বাহিনী অনেক বেশিআধুনিক। সরকারের গৃহীত নানান পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা আর জনকল্যাণে সরকারের সহায়কবাহিনী হিসেবে দক্ষতার সাথে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নেএ বাহিনীর মনোবল, শক্তি-সামর্থ্য ও সামগ্রিক কর্মকান্ডের বিশদ বিবরণনিম্নে তুলে ধরা হলো।


বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ঐতিহ্যবাহী ‘আনসার বাহিনী’ ব্রিটিশসরকার কর্তৃক ১৯৪৬ সালে সৃষ্ট হোমগার্ড এর আদলে ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়। সচেতনজনসম্পদ তৈরির পাশাপাশি সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলারক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা, নির্বাচনি এলাকা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে(বিশ্ব ইজতেমা, দুর্গাপূজা ইত্যাদি) দায়িত্ব পালন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ওদুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনাসহ বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কাজকরে যাচ্ছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। এ বাহিনী দেশেরঅর্থনীতিকে সাবলম্বী করতে আন্তরিকতার সাথে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি ওগ্রামভিত্তিক বিভিন্ন আধুনিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জঙ্গি, সন্ত্রাস, নারী ও শিশু পাচার রোধেও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী সহযোগী বাহিনী হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহায়তা করেথাকে। অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগেরসময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী যথাযথ ভূমিকা পালন করে দেশ ওজাতির আস্থা অর্জন করেছে। ৬৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী দেশপ্রেমিকবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘপথ পরিক্রমায় এ বাহিনীরদায়িত্ব-কর্তব্যের ব্যাপকতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কর্মকুশলতাবহুমাত্রিক রূপ লাভ করেছে।


বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে দেশের সর্বস্তরের মানুষেরআস্থা ও সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে।  বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আনসার ওভিডিপি সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করে থাকে। তাদের শৃঙ্খলাবোধ ও প্রশিক্ষণকার্যক্রমের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং স্থানীয় ওজাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অংশগ্রহণ করে এ বাহিনীর সদস্যরা দক্ষতাও সুনামের সাথে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

 

শের প্রায় ৬০ লাখ সদস্য-সদস্যাদের দুই হাতকাজে লাগিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ লোকের কর্ম ও শ্রমের মাধ্যমে সরকারের গৃহীতকর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে এ বাহিনী। দেশের সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থসামাজিকউন্নয়নে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।


আমাদের দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতেবিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সমাজে ভালোভাবে বেঁচেথাকতে পারে এবং অর্থ উপার্জন করতে পারে সেই জন্য বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে গ্রাম, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনেরপেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বিভিন্নধরনের পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে শুধু দেশ নয় বিদেশে গিয়েও অর্থউপার্জন করছেন অসংখ্য বেকার। এই ধরনের প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানআত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদেরকে সাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণভূমিকা রাখছে। এছাড়া সড়কপথের নিরাপত্তার পাশাপাশি বাংলাদেশের গণমানুষেরজনপ্রিয় বাহন রেলগাড়ি, রেল স্টেশন এবং রেলপথের নিরাপত্তায় সাম্প্রতিক সময়েগুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে আনসার-ভিডিপি বাহিনী। অনেকটা স্বেচ্ছাসেবীরআদলে গড়ে উঠেছে এই সুশৃঙ্খল বাহিনী। রেলপথে নৈরাজ্য-নাশকতা রোধে এই বিশালবাহিনীর ব্যাপক ও কার্যকরী ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।


দেশপ্রেম ও মমত্ববোধে সদা জাগ্রতস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সুশৃঙ্খল এই বাহিনীর সদস্যরা। রেলেরনাশকতা রোধে আনসার ও ভিডিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। সহিংসকর্মকান্ড রোধে রেল মন্ত্রণালয়ের চাহিদা মাফিক আনসার সদস্যরা নিয়োজিতরয়েছে। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি’ই একমাত্র বাহিনী যার রয়েছে বিপুল সংখ্যকপ্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী সদস্য। যারা দেশমাতৃকা রক্ষায় যে কোনো সময় ঝাঁপিয়েপড়ার জন্য প্রস্তুত।  স্বেচ্ছাশ্রমে দৈনিক মাত্র ৯০ থেকে ৩৫০ টাকায় প্রতিএক কি.মি. পরপর রেল সড়কে তাদেরকে যে কোনো সময় নিয়োজিত করার সক্ষমতা এসুশৃঙ্খল বিশাল বাহিনীর রয়েছে। এ পর্যন্ত এ বাহিনী দেশের অন্যান্য বাহিনীরসুযোগ্য সদস্যদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাফল্য ও সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।রেলপথের নিরাপত্তাসহ চাহিদা মোতাবেক যেকোনো অনুষ্ঠান বা স্থানের নিরাপত্তাপ্রদানে সহায়ক এ বাহিনী সদা প্রস্তুত রয়েছে।


এ বাহিনীর ৩৬টি পুরুষ ও ২টি মহিলাব্যাটালিয়নের সদস্য-সদস্যারা পার্বত্য চট্টগ্রাম, রামু, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলতথা সমগ্র দেশে সামরিক বাহিনী, পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধমিলিয়ে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিয়োজিত রয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবন, বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর, স্থল বন্দর, পাওয়ার স্টেশন, সড়ক, রেলপথ, হাসপাতাল, ব্যাংক, পাঁচতারা হোটেল, গার্মেন্টস, বিভিন্ন শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ওবেসরকারি স্থাপনায় বাংলাদেশ আনসারের রয়েছে পদচারণা। তাদের অক্লান্ত শ্রমেদেশের মানুষ নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে দেশ গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছে। দেশের চলমানউন্নয়নে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী যোগ্য শরিক হিসেবেগর্ববোধ করে।


প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সচেতন জনসম্পদসৃষ্টি এ বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর অংশ হিসেবে গ্রামভিত্তিকপ্রশিক্ষণের পাশাপাশি পেশাভিত্তিক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, এই বাহিনীর বিভিন্নপ্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়েদেশব্যাপী ৩২টি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ৫টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেরমাধ্যমে তথ্য, কারিগরি ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি তৈরিরক্ষেত্রে এ বাহিনী অভূতপূর্বসাফল্য অর্জন করেছে। উন্নত তথ্য প্রযুক্তিরসহায়তায় প্রায় ৩৮ হাজার সাধারণ আনসার সদস্য-সদস্যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াডিজিটালাইজড করা হয়েছে। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য সম্বলিত তথ্যভান্ডার  তৈরি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অটোমেশন করা হয়েছে। এরমাধ্যমে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য-সদস্যাদের পেশাগতমান উন্নয়ন ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য আধুনিক, যুগোপযোগী ও বিশেষায়িতপ্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিসিএস (আনসার) ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদেরমৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে ডিগ্রিপ্রদান করা হচ্ছে।


জাতীয় উন্নয়ন ও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা নিন্মোক্ত দায়িত্বগুলো পালন করে।
১। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে সাহায্য করা।
২। দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সহায়তা করা।
৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষকে সহায়তা করা।
৪। সরকারি নির্দেশে জাতীয় উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক কাজে সহায়তা করা।
৫। দেশের সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা করা।
৬।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীকে সহযোগিতা করা। যেমন : জাতীয় ও স্থানীয়নির্বাচন, বিশ্ব এজতেমা, দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানেযোগ্যতাসম্পন্ন আনসার ও ভিডিপি বাছাই ও নিয়োগ প্রদান।
৭। আর্থসামাজিকউন্নয়নে প্লাটুনভুক্ত সদস্য-সদস্যাদের যোগ্যতানুসারে বিভিন্ন পেশাভিত্তিকপ্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বিভাগীয় প্রশিক্ষণকোর্সে প্রশিক্ষণার্থী প্রেরণকরা।
৮। সেলাই, এয়ারকন্ডিশনার, ফ্রিজ, ইলেকট্রিশিয়ান, বেসিক কম্পিউটার, মটর ড্রাইভিং, মোবাইল ফোন সেট মেরামত, ওয়েল্ডিং সোয়েটার নিটিংসহ বিভিন্নপেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন প্রশিক্ষণার্থী বাছাই ওপ্রশিক্ষণের জন্য বিভাগীয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কোটা মোতাবেক প্রেরণনিশ্চিতকরণ।
৯। উপজেলা প্রশাসনকে উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করা।

 

আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ সেবা
নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে সারা বছরব্যাপী আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণে জেলাকার্যালয় হতে আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষণার্থী বাছাই ও প্রশিক্ষণ সম্পাদন করাহয়ে থাকে :
১. আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ীজেলা কমান্ড্যান্ট আনসার-ভিডিপি সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপিকর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণার্থীর কোটা প্রদান করেন।
২. প্রাপ্ত কোটামোতাবেক উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তাগণ ইউনিয়ন দলনেতা ও দলনেত্রীদেরমাধ্যমে প্লাটুনভুক্ত সদস্য-সদস্যাদের মধ্য হতে যোগ্যতাসম্পন্নপ্রশিক্ষণার্থী প্রাথমিকভাবে বাছাই করে জেলা কমান্ড্যান্ট-এর নিকট প্রেরণকরেন।
৩. জেলা কমান্ড্যান্ট উক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত বাছাই করে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।

 

যে সকল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
১. মৌলিক প্রশিক্ষণ সাধারণ আনসার (পুরুষ-মহিলা)।
২. মৌলিক প্রশিক্ষণ ভিডিপি (পুরুষ-মহিলা)।
৩. বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (পুরুষ-মহিলা)।
৪. সেলাই ও ফ্যাশন ডিজাইন প্রশিক্ষণ (মহিলা)।
৫. মোবাইল রিপিয়ারিং প্রশিক্ষণ (পুরুষ-মহিলা)।
৬. মটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ (পুরুষ)।
৭. নকশীকাঁথা তৈরি প্রশিক্ষণ (মহিলা)।
৮. গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ-ভিডিপি (পুরুষ-মহিলা)।
৯. ইলেকট্রিশিয়ান প্রশিক্ষণ-ভিডিপি (পুরুষ)।
১০. এছাড়াও ৪০টি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
১১. সকল প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থীগণের থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত ভাতাসরকারিভাবে বহন করা হয়; সঙ্গে প্রশিক্ষণের উপকরণ ও পোশাকাদিও প্রদান করাহয়।

 

এক নজরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী

]
১. আনসার বাহিনী প্রতিষ্ঠা ও আইন : ১৯৪৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আনসার বাহিনীপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। তৎকালীন পূর্ববাংলা আইন পরিষদে আনসার এ্যাক্ট অনুমোদিতহলে ১৭ জুন ১৯৪৮ সালে তা কার্যকর হয়। বাহিনী বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছেআনসার বাহিনী আইন-১৯৯৫ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার আইন ১৯৯৫-দ্বারা, যা সংসদকর্তৃক গৃহীত হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনলাভ করে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ হতে কার্যকর হয়। এ দুটো আইন অনুসারেসংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আনসার বাহিনী একটি সুশৃঙ্খলবাহিনী।


২. আনসার বাহিনীর সংগঠন ও দায়িত্ব :প্রতি ইউনিয়নে আনসার বাহিনীর ৩২ জনের একটি পুরুষ প্লাটুন এবং প্রত্যেকউপজেলা ও থানায় ১০০ জনের একটি পুরুষ কোম্পানি ও ৩২ জনের একটি মহিলা প্লাটুনরয়েছে। আনসার বাহিনী আইন ১৯৯৫ অনুসারে এ বাহিনীর দায়িত্ব হলো : ক.জননিরাপত্তামূলক কাজে সরকার বা সরকারের আদেশে কোনো কর্তৃপক্ষকে সহায়তাপ্রদান এবং অন্যকোনো নিরাপত্তামূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। খ. দেশেরআর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কোনোজনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। গ. সরকারের নির্দেশে অন্যান্য বাহিনীকেসহায়তা ও সাহায্য প্রদান করা। বাহিনীর শুরু থেকেই আনসারদের শৃঙ্খলা, অস্ত্রচালনা, দুর্যোগকালীন সেবা, পদ্ধতি এবং সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নবিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ আনসার সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবংসেবামুখী নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।


৩. নিয়মিত বাহিনীর সাথে প্রথমসম্পৃক্ততা : ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধকালে দেশের সীমান্ত ফাঁড়িগুলোতেআনসারদের প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়।


৪. স্বাধীনতা যুদ্ধ : বাংলাদেশেরপ্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর) এর শপথ গ্রহণ শেষে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকেআনসার প্লাটুন কমান্ডার ইয়াদ আলীর নেতৃত্বে ১২ জন আনসার বাহিনীর সদস্যগার্ড অব অনার প্রদান করে। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আনসার বাহিনীকে বিদ্রোহীআখ্যায়িত করে বিলুপ্ত করা হয়। প্রায় ৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরাস্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়। যুদ্ধে আনসার বাহিনীর ৯ জন কর্মকর্তা, ৪ জনকর্মচারী ও ৬৫৭ জন আনসারসহ সর্বমোট ৬৭০ জন শহীদ হন। বাহিনীর ১ জন বীরবিক্রম এবং ২ জন বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।


৫. আনসার ব্যাটালিয়ন : ১৯৭৬ সালে২০টি, ১৯৮০ সালে ৪টি, ১৯৮৮ সালে ১০টি, ২০০৪ সালে ২টি (১টি মহিলাসহ) এবং২০০৮ সালে ২টি (১টি মহিলাসহ) মোট ২৮টি আনসার ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়।ব্যাটালিয়ন আনসার আইন ১৯৯৫ অনুসারে এ বাহিনীর দায়িত্ব হলো : ক.জননিরাপত্তামূলক কোনো কাজে সরকার বা সরকারের অধীন কোনো কর্তৃপক্ষকে সহায়তাপ্রদান করা খ. দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃকনির্দেশিত যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা গ. দেশের যেকোনো দুর্যোগমোকাবেলায় সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কাজে অংশগ্রহণ করা এবং ঘ. প্রবিধানদ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য কাজ করা। ব্যাটালিয়ন আনসারদের উন্নত অস্ত্রচালনা ও যুদ্ধ কৌশল শিক্ষা দেওয়া হয়। বর্তমানে ১৬টি ব্যাটালিয়ন (৬৪৬৪ জনআনসার) পার্বত্য চট্টগ্রামে এবং বাকি ২২টি ব্যাটালিয়ন (৮৮৮৮ জন আনসার) সমতলএলাকায় কর্মরত। এরা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা শহর, দেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল, র‌্যাবে প্রেষণে অন্তর্ভুক্তসহ দেশের অন্যান্য স্থানে কর্মরত।মহিলা ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয় নারী সমাজের অগ্রায়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ভূমিকা রাখার সুযোগ দান এবং তাদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে। মহিলাব্যাটালিয়ন সদস্যরা র‌্যাব-এর মতো এলিট বাহিনীতেও প্রেষণে অন্তর্ভুক্ত হয়েকর্মরত রয়েছে।


৬. মহিলা আনসার বাহিনী : ১৯৭৬ সালেপ্রথম মহিলা আনসার বাহিনী গঠিত হয়। তাদের জেলা পর্যায়ে নিয়োজিত করা হয়।২০০২-২০০৩ সালে প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে স্বেচ্ছাসেবী মহিলা আনসারপ্লাটুন (৩২ জনের) গঠন করা হয়।


৭. আনসার ক্যাডার সৃষ্টি : ১৯৮০ সালেআনসার অফিসারদের জন্য আনসার ক্যাডার গঠন করা হলে, ১৯৮৪ সাল হতে বিসিএসঅফিসারগণ এ ক্যাডার সার্ভিসে যোগদান শুরু করেন।


৮. আনসার ভিডিপি একাডেমি : সফিপুরেঅবস্থিত আনসার একাডেমি’র গোড়াপত্তন হয় ১৯৭৬ সালে। ধাপে ধাপে বর্তমান রূপপায় এটি। ১৯৯৬ সালে আনসার ও ভিডিপি একাডেমি হিসেবে এর নামকরণ করা হয়।


৯. গ্রাম প্রতিরক্ষা দল প্রতিষ্ঠা :১৯৭৬ সালের ৫ জানুয়ারি এক সরকারি আদেশ বলে এ দল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইন-১৯৯৫ দ্বারা। গ্রামপ্রতিরক্ষা দল আইন ১৯৯৫ অনুসারে এ দলের প্রধান দায়িত্ব হলো : ক. দেশেরআর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা খ.আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তামূলক কাজে সহায়তা প্রদান করা এবং গ. সরকার কর্তৃকসময় সময় নির্ধারিত যেকোনো দায়িত্ব পালন করা। প্রতি গ্রামে ৩২ জন পুরুষ ও ৩২জন মহিলার একটি করে প্লাটুন রয়েছে। সদস্য-সদস্যাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অস্ত্র চালনা এবং সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করাহয়। তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা, বেআইনিঅস্ত্র উদ্ধার এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে।


১০. বর্তমান সদস্য সংখ্যা : সারাদেশে ২লক্ষ ৫৮ হাজার সাধারণ আনসার রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার অঙ্গীভূতরয়েছে। প্রায় ৫৭ লক্ষ ৫১ হাজার ৬৪৩ জন ভিডিপি সদস্য রয়েছে। এর অর্ধেক নারী।


১১. জাতীয় পতাকা লাভ : বাহিনী দেশেরস্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নেদীর্ঘদিন প্রশংসনীয় অবদান রাখায় সরকার বাহিনীকে ১৯৯৮ সালের ১০ মার্চ জাতীয়পতাকা প্রদান করে।


১২. ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরিস্থায়ীকরণ : বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৫ বছরসন্তোষজনক চাকরিকাল সাপেক্ষে ২০০১ সাল থেকে ব্যাটালিয়ন আনসার স্থায়ীকরণশুরু হয়। এখন স্থায়ীকরণকাল ১৫ বছর থেকে ৯ বছরে হ্রাস করা হয়েছে।


১৩. স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তি : জাতীয়ক্রীড়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে সরকার২০০৪ সালে বাহিনীকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করে।


১৪. কমব্যাট পোশাক : দেশের স্বাধীনতাসার্বভৌমত্ব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালনের স্বীকৃতিহিসেবে এবং সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সাথে পোশাকের সামঞ্জস্য এনেসদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তা ও আনসারসদস্যদের জন্য সরকার ২০০৮ সালে কমব্যাট পোশাক অনুমোদন করে।


১৫. পদনাম পরিবর্তন : বাহিনীর সক্ষমতাও কর্মকর্তাদের দক্ষতা বিবেচনায় এনে অন্যান্য বাহিনী ও বিভাগের সাথেসামঞ্জস্য রেখে সরকার ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে কর্মকর্তাদের যাবতীয় পদনামপরিবর্তন অনুমোদন করে।


১৬. পারিবারিক রেশন প্রাপ্তি :বর্তমান সরকার ২০০৯ সালের ২২ মে থেকে বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারী এবংব্যাটালিয়ন আনসারদের পূর্ণাঙ্গ পারিবারিক রেশন চালু করে।
১৭. গার্ড অবঅনার প্রদানকারী আনসারদের অর্থ প্রদান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০সালের ২৯ আগস্ট মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী ১২ জন সদস্যেরপ্রত্যেককে ২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন।


১৮. গার্ড অব অনার প্রদানকারীআনসারদের পদক প্রদান : ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশ সরকারকে ১২ জন আনসার কর্তৃক গার্ড অব অনার প্রদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছর মুজিব নগর দিবসে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছে। অন্যান্যবছরের মতো এ বছরও ৩৪তম জাতীয় সমাবেশে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানকারী ১২ জনকে‘বাংলাদেশ আনসার পদক’ প্রদান করা হয়।


১৯. মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা : ২০১০সালের ৯ ডিসেম্বর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদেরআনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আনসার ভিডিপি একাডেমি সফিপুরে অনুষ্ঠিত এঅনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সাবেকমন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকেমুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেন।


২০. সদস্য-সদস্যাদের ভাতা বৃদ্ধি :বর্তমান সরকারের আমলে অঙ্গীভূত আনসারের ভাতা ১১১.৫৪ টাকা থেকে ২৪৩.০০টাকায়, ইউনিয়ন দলনেতা-নেত্রীদের ভাতা ৪২২.৫০ টাকা হতে ৬৩০.০০ টাকায়, ব্যাটালিয়ন আনসারদের উৎসব ভাতা ২১২৯.৪০ টাকা হতে ২৯৮১.১৬ টাকায় এবং দৈনিকপ্রশিক্ষণ ভাতা ৬০.০০ টাকা হতে ৯০.০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।


২১. একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প :বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘একটি বাড়ী একটি খামার’ প্রকল্পবাস্তবায়নে আনসার ভিডিপি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ঢাকা রেঞ্জ কার্যালয়এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া ওটুঙ্গীপাড়া উপজেলায় এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীরবিক্রম, এনডিসি, পিএসসি। পর্যায়ক্রমে সকল জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।


২২. বিজিএমইএ’র সাথে সমঝোতা স্মারকস্বাক্ষর : গত ২০ নভেম্বর ’১১ দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায়প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সাথে একটিসমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে পোশাক শিল্প মালিক সংগঠন বিজিএমইএ।


২৩. খাকি পোশাক পরিবর্তন :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আগ্রহে ভিডিপি দলনেত্রী ও সদস্যাদেরপোশাক পরিবর্তন করা হয়েছে। সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি’র খাকি পোশাকেরপরিবর্তে নতুন পোশাক প্রবর্তনের প্রক্রিয়া চলমান।


২৪. সেবাপদক চালু : আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য সেবাপদক চালু করা হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ আনসার ওগ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৩৪তম জাতীয়সমাবেশ-২০১৪ এ প্রতিষ্ঠানের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্য-সদস্যাকেসাহসিকতা ও সেবাধর্মী বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদক প্রদান করা হয়।


২৫. সেবা পদকের সংখ্যা ও আর্থিক সুবিধা : টেবিল আকারে পৃষ্ঠার উপরে দেওয়া হলো।


২৬. মহিলা আনসারদের স্থায়ী পদ সৃজন : ২০১২ সালে ৬৭২টি মহিলা আনসারের স্থায়ী পদ সৃজন করা হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নের পথে।


২৭. উন্নত তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়প্রায় ৩৮ হাজার সাধারণ আনসার সদস্য-সদস্যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজডকরা হয়েছে। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তথ্য সম্বলিত তথ্য ভান্ডারহিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণকার্যক্রম অটোমেশন করা হচ্ছে।